পদ্মাসেতু প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় কেন বারবার বাড়ানো হয়েছে

0
41

পদ্মাসেতু প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় কেন বারবার বাড়ানো হয়েছে তা খুঁজতে ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী চার মাসে সেতুর সব ধরনের মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করবে তারা। এজন্য খরচ হবে প্রায় ৩০ লাখ টাকা।

পদ্মাসেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্পের কাজটির সঙ্গে একাধিক দেশি-বিদেশি সংস্থা, এজেন্ট ও প্রতিষ্ঠান জড়িত। বিধায় তথ্য দলিলাদি প্রাপ্তির জন্য অনেকের ওপর নির্ভরশীল থাকতে হবে, যা সময় সাপেক্ষ। কিন্তু সরকার দ্রুত সেতু শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটা সার্বিক চিত্র পেতে চায়। এই জন্যই দুটি ফার্ম নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে জানায় সরকারের একমাত্র প্রকল্প তদারকি সংস্থা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি)।

আইএমইডি সূত্র জানায়, বুধবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) নগরীরর শেরে বাংলানগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আইএমইডিতে ফার্ম নিয়োগের বিষয়ে একটা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আইএমইডির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. কামরুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, পদ্মাসেতুর বিষয়ে একটা মিটিং হয়েছে সব কাজ মনিটরিং করার জন্য। ফার্মের মাধ্যমে মনিটারিং করা হবে। ফার্ম দুটি সব সময় সেতু এলাকায় থেকে চার মাসের মধ্যে একটা প্রতিবেদন জমা দেবে। পদ্মাসেতু বাস্তবায়ন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল চিত্র উঠে আসবে। পদ্মাসেতু বাস্তবায়নে কোনো ত্রুটি বিচ্যুতি ও সফলতার সকল বিষয় উঠে আসবে। আমরা দেশবাসী কী ধরণের সুফল পাবো পদ্মাসেতু থেকে এসব বিষয়ও জানতে পারবো। প্রকল্পের ব্যয়-সময় বৃদ্ধিসহ নানা বিষয়ে জানতে পারবো।’

আইএমইডি সূত্র জানায়, নানা উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে পদ্মাসেতু প্রকল্পের নিবিড় পরিবীক্ষণ করা হবে। প্রকল্পের পটভূমি উদ্দেশ্য, অনুমোদন, সংশোধনের অবস্থা, অর্থায়নের বিষয় ইত্যাদি তুলে ধরা হবে। প্রকল্পের সার্বিক, বাস্তব ও আর্থিক বিষয় উঠে আসবে। প্রকল্পের উদ্দেশ্য অর্জনের অবস্থা পর্যালোচনা, পর্যবেক্ষণ প্রকল্পের আওতায় চলমান বিভিন্ন পণ্য, কার্য, সেবা প্রচলিত আইন ও বিধিমালা মোতাবেক হচ্ছে কি না তুলে ধরা হবে।

প্রকল্প পরিচালকের প্রকল্প ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ও ক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণ বিভিন্ন সভা আহ্বান ও গৃহিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তৎপরতা, প্রকল্প পরিচালক হিসেবে কর্মকাল ইত্যাদি তথ্য উপাত্ত পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রকল্প অনুমোদন, সংশোধন, অর্থ ছাড়, বিল পরিশোধ ইত্যাদি তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করা হবে। প্রকল্প সমাপ্তির পর বিভিন্ন সুবিধাদি টেকসই করার লক্ষ্যে মতামত দেওয়াও হবে।

মন্তব্য লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here